মেনু নির্বাচন করুন

পনির


জেলা ব্র্যান্ডিং এর উদ্দেশ্য:

(১)

কিশোরগঞ্জ জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ

(২)

কিশোরগঞ্জ জেলার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতি সঞ্চার

(৩)

এই ক্ষেত্রে জেলার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি

(৪)

কিশোরগঞ্জ জেলার ইতিবাচক ভাবমুর্তি বিনির্মাণ

(৫)

স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি

(৬)

জেলার সর্বসত্মরের মানুষকে উন্নয়নের অভিযাত্রায় সম্পৃক্ত করা

(৭)

কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চলে নারী-পুরুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি

(৮)

দেশ ও বিদেশে পনিরের বাজার সৃষ্টি ও প্রসার

(৯)

দারিদ্র ও বেকারত্ব দুরীকরণ

(১০)

সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা

 

 

পনিরকে জেলা ব্র্যান্ড হিসাবে নির্বাচনের যৌক্তকতা:

পনিরকে কিশোরগঞ্জ জেলার "জেলা ব্র্যান্ডিং " পণ্য নির্বাচনের পিছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হয় ভবিষ্যত সম্ভবনা, ব্যবসায়িক মূল্য, সুস্বাদু খাদ্য তালিকাভুক্তি। অতীত ঐতিহ্যও জেলা ব্র্যান্ডিং এর অন্যতম উদ্দেশ্য। নিম্নে পনিরকে ব্র্যান্ড হিসেবে নির্বাচনের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলো:

(১)

পনির ব্যবসাকে পনির শিল্পে রুপান্তর

(২)

পনির শিল্পের মাধ্যমে দুগ্ধ খামারীদের উৎসাহ প্রদান এবং দুগ্ধ খামার শিল্পকে বৃহৎ শিল্পে পরিণত করা

(৩)

পনির  ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে কিশোরগঞ্জকে দেশে এবং দেশের বাইরে তুলে ধরা

(৪)

পনিরের  ঐতিহ্য রক্ষা করে পূর্বের খ্যাতি ও যশ ফিরিয়ে আনা

(৫)

পনিরের বিশ্বজোড়া চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বৃদ্ধি

(৬)

পনির সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে স্বীকৃতি

(৭)

পনির  উৎপাদনের মাধ্যমে এ জেলার বৃহৎ জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও জনগণের ভাগ্য উন্নয়ন

 

 

পনিরের  ব্যবহারিক  দিক:

(১)

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাকরখানির মধ্যে অন্যতম হলো পনির দেয়া বাকরখানি যা আদি থেকে ঢাকার বাসিন্দাদের মাঝে জনপ্রিয়।

(২)

এছাড়া আমাদের এলাকাভিত্তিক বেকারি ও হোটেলগুলোতেও পনিরের নানা ব্যবহার রয়েছে।

(৩)

অতিথি আপ্যায়নে এই পনিরের ব্যবহার চলে আসছে বহু আগে থেকেই।

(৪)

অনেকেই বার্গার, শিঙ্গাড়া, সমুচা, নানরুটি ইত্যাদি তৈরিতে পনির ব্যবহার করে থাকেন।

(৫)

একসময় অনেকেই অসুস্থতা-পরবর্তী সময়ে খাবারের রুচি বাড়াতে পনির খেতেন।

(৬)

পনিরের চা অনেক স্থানেই পাওয়া যায়।

(৭)

উচ্চমানের প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ পনির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে অনেকেই নিয়মিত পনির খাওয়াকে গুরুত্ব দেন।

 





Share with :

Facebook Twitter