মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা :

১৯১৬ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকল্পে দানবীর মুন্সী আজিম উদ্দিন আহাম্মদ সাহেব নগদ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা দান করে এবং উক্ত টাকায় তৎকালীন সময়ে ৪ একর ৬২ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করে উক্ত জমিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পেশায় একজন আইনজীবী ছিলেন।

১৯৬৮

ইতিহাস:

১৯১৬ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকল্পে দানবীর মুন্সী আজিম উদ্দিন আহাম্মদ সাহেব নগদ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা দান করে এবং উক্ত টাকায় তৎকালীন সময়ে ৪ একর ৬২ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করে উক্ত জমিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালীন সময়ে পিছিয়ে থাকা মুসলমানদের মধ্যে  শিক্ষার আলো বিতরণের জন্য মুন্সী আজিম উদ্দিন আহাম্মদ প্রথমে সাঁতারপুর তারপর অত্র বিদ্যালয়টি বর্তমান স্থানে   স্থানান্তরিত করেন। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক বাবু হীরণ চন্দ্র গোস্বামী। তিনি ০৩/২/১৬ থেকে ১৯/১২/১৬ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত বপালন করার পর বাবু বসন্ত কুমার চক্রবর্তী ২০/১২/১৬ থেকে ২৮/০৮/৩৩ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের হাল ধরেন। তার সময় ১৯২২ সালে বিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্র রেবতী মোহন বর্মণ অবিভক্ত বাংলায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এন্ট্রান্স পরিক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে অনেক চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে বিদ্যালয়টি চলতে থাকে। এই অবস্থায় বিদ্যালয়টির অগ্রগতি ব্যাহত হলে ০১/০১/১৯৫১ সালে ত্রাতার ভূমিকা নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন মোঃ মতিউর রহমান। যাঁর হাতের ছোঁয়ায় বিদ্যালয়টি প্রাণ ফিরে পেল নতুন করে। যাকে বলা হয় আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক রূপকার। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জনাব কানিজ দাইয়ানী কোরাইশী 0 azimuddinhs2300@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা :

১৫০৬ জন

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক) :

শ্রেণী    ছাত্র-   ছাত্রী   মোট

৬ষ্ঠ-    ৩০২    ৯৪     ৩১৬

৭ম-    ২৫৭    ৭০     ৩২৭

৮ম-    ২৩১     ৭৮    ৩০৯

৯ম-    ১৭১     ৬৫     ২৩৬

১০ম-  ১৫৮      ৮০    ২৩৮

৯০%

বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য :

নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত ম্যানেজিং কমিটি ৩১/০৮/২০১০ থেকে ৩০/০৮/২০১২ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ পরবর্তী ২ (দুই) বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।

১। ডাঃ আ.ন.ম.নৌশাদ খান      (সভাপতি)

২। জনাব এ.কে. ফজলুল হক (শিক্ষক প্রতিনিধি)

৩। জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম   ঐ

৪। জনাব কানিজ দাইয়ানী কোরাইশী (সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি)

৫। জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান  অভিভাবক সদস্য

৬। জনাব এম.এ. সাদেক মুকুল    ঐ

৭। জনাব আব্দুল হাই              ঐ

৮। জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম     ঐ

৯। জনাব মেহেলী আক্তার  (সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য)

১০। শূণ্য            প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

১১। শূণ্য            দাতা সদস্য

১২। জনাব মোঃ শহীদুল ইসলাম (কো-অপ্ট সদস্য)

১৩। প্রধান শিক্ষক          সদস্য সচিব

বিগত ৫ বছরের সমাপনী/

পরীক্ষার নাম     সন      পাশের হার

জেএসসি       ২০১০     ৭২.৯৫%

জেএসসি       ২০১১     ৭৩.১১%

  

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল :

পরীক্ষার নাম     সন      পাশের হার

এসএসসি       ২০০৭      ৪১.৬৯%

এসএসসি       ২০০৮      ৭৫.৯৬%

এসএসসি       ২০০৯      ৬১.৬১%

এসএসসি       ২০১০      ৮৬.৩১%

এসএসসি       ২০১১       ৮৭.৪৩%

অর্জন

কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বিবরণঃ

ক) রেবতী মোহন বর্মণ- ১৯২২ সনে অবিভক্ত বাংলায় এন্ট্রান্স পরীক্ষার কলকাতা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। তিনি কলকাতা ন্যাশনাল বুক এজেন্সির (এনবিএ) এর প্রতিষ্ঠাতা। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তিনি একজন সু-লেখক ছিলেন। তিনি এই উপমহাদেশে একজন বিখ্যাত রাজনীতিবিদ, বিপ্লবী চেতনায় উদ্দীপ্ত একজন মার্কস বাদী। তাঁর অসংখ্য  লেখার মধ্যে ‘সমাজ সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ ‘ক্যাপিটাল’ ‘অর্থনীতির গোড়ার কথা’ ‘পরিবার, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি’ উল্লেখযোগ্য।

খ) ড. ওসমান গণিঃ অত্র বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিজ্ঞানী হিসেবেও খ্যাত ছিলেন।

গ) ড. এম. কাদেরঃ অত্র বিদ্যালয়ে কৃতি ছাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট কৃষিবিদ।

ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলামঃ অত্র বিদ্যালয়ে কৃতি ছাত্র ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও একজন নিবেদিত প্রাণ রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।

ঙ) ড. ম. আখতারুজ্জামানঃ অত্র বিদ্যালয়ের কৃতি  ছাত্র ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে অবসর গ্রহণ করেন।

চ) চুনিলাল গোস্বামীঃ অত্র বিদ্যালয়ের কৃতি  ছাত্র ছিলেন। তিনি একজন কৃতি ফুটবলার এবং পরবর্তীতে কলকাতার মোহন বাগান ফুটবল টিমের অধিনায়ক ছিলেন।

ছ) আব্দুল্লাহ আল মামুনঃ অত্র বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।

জ) ডাক্তার মোঃ জেহাদ খানঃ অত্র বিদ্যালয় থেকে ঢাকা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান দখল করেন। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীতে লেঃ কর্ণেল হিসেবে কর্মরত আছেন।

আরো অনেক ছাত্র-ছাত্রী অত্র বিদ্যালয় হইতে পড়াশুনা করে দেশে-বিদেশে কর্মরত আছেন।

স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অত্র প্রতিষ্ঠানটি আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে আসছে। রাজনৈতিক কর্মকান্ডে বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র রেবতী মোহন বর্মন আজীবন চিরকুমার থেকে স্বদেশী আন্দোলনসহ শোষিত, নির্যাতিত মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তাছাড়াও বিদ্যালয়ের বহু ছাত্র রাজনৈতিক কর্মকান্ডে গঠনমূলক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলছেন।

ক্রীড়াঃ অত্র প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের জন্মলগ্ন থেকেই স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া ও খেলাধুলায় বিশেষ সুনাম অর্জন করে আসছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্রীড়াবিদ চুনিলাল গোস্বামী (ক্যাপ্টেন, মোহনবাগান ফুটবল টিম, কলকাতা), ফুটবলার আঃ রহমান চাঁন মিয়া।

সাংস্কৃতিকঃ সাংস্কৃতিক উন্নয়নে অত্র প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুপরিচিত। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অসংখ্যবার শ্রেষ্ঠত্বের সুনাম বয়ে এনেছে। তাদের মধ্যে নাট্যকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, কবি আবিদ আজাদ, ভাষ্যকার নাজমুল হুদা, নৃত্য শিল্পী শুক্লা সরকার উল্লেখযোগ্য। বিগত ১৩ জানুয়ারী/২০০৮ ঢাকা বাংলা একাডেমীতে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্রে আয়োজিত ‘‘প্রথম জাতীয় দেয়াল পত্রিকা-২০০৮’’ প্রতিযোগিতায় ‘চন্দ্রাবতী’ ও ২০১১ সালে ’’দেয়াল ভাঙ্গার গান’’ প্রথম স্থান অধিকার করে।

মহান মুক্তিযুদ্ধঃ মহান মুক্তিযুদ্ধে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। তৎকালীন মেজর এম. শফিউল্লাহর নেতৃত্বে অত্র প্রতিষ্ঠানে এক প্লাটুন সেনাবাহিনী নিয়ে অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার লক্ষ্যে বহু লোকজনকে প্রশিক্ষণ দান করেন। অত্র প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জনাব মরহুম মতিয়ুর রহমান এঁর পুত্র এবং অত্র প্রতিষ্ঠানের কৃতী ছাত্র আতিকুর রহমান ভৈরবে পাক বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন। অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক জনাব আফতাব উদ্দিন মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা :

আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে ১০০ বছর পূর্তিতে বিদ্যালয়ের রেজাল্ট ১০০% ভাগে উন্নীত করা এবং একটি আদর্শ ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা।

যোগাযোগ (ই-মেইল এড্রেস, ফোন, মোবাইল, ফ্যাক্সসহ):

azimuddinhs2300@gmail.com

0941-62003

01911-303473